দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে: ইসলামি আন্দোলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি | প্রকাশ: ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে: ইসলামি আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। সরকার দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। সংগীত শিক্ষকের জায়গায় সরকারকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে দেশের ইসলামপ্রেমিক জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে যোগ্য ও স্বতন্ত্র ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া; ধর্মীয় শিক্ষক পদে আল হাইয়াতুল উলয়া থেকে দাওরায়ে হাদিস পাস অথবা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল করা ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে সম্পৃক্ত করে একটি স্বতন্ত্র নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, সম্প্রতি প্রকাশিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০২৫’ গেজেট সংশোধন করে তাতে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিধান সংযোজন করা; নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও মানোন্নয়নের ব্যবস্থা করা এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী (হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান) শিক্ষার্থীদের জন্যও তাদের ধর্ম অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা। শনিবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিন সেক্রেটারী মোঃ আব্দুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনাং অংশ নেন মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা নজরুল ইসলাম, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা জিয়াউল আশরাফ, শেখ আবু তাহের, মাওলানা নাযীর আহমদ শিবলী, মাওলানা নিজামুদ্দিন, মাওলানা গোলামুর রহমান আজম, হাফেজ সালাউদ্দিন প্রমুখ। মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, আমরা আমাদের সন্তানদেরকে স্কুলে গান শিখতে দেয়নি। আমরা আমাদের সন্তানকে বিদ্যালয় পাঠায় নৈতিক ও আদর্শিখভাবে গড়ে উঠার লক্ষ্যে। কাজেই সংগীত শিক্ষা নয়, আমাদের সন্তানদের  ইসলামী শিক্ষায় সমৃদ্ধশালী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।