ভালুকায় পেট্রোল ও অকটেনের সংকট চরম আকার ধারন করেছে। ফিলিং স্টেশন গুলোতে মাঝে মধ্যে একশত থেকে দুইশত টাকার পেট্রোল বা অকটেন দেয়া হয়। চুরাই ভাবে পেট্রোল ও অকটেন মিলছে তিনশত টাকা লিটার। ২৮ মার্চ বিকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ৬টি ফিলিং স্টেশনে তেলের ট্যাংকারের ভিতর তেল আছে কি নাই তল্লাশী করেন ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনার ভুমি ইকবাল হোসাইন। এসময় দুইটি ফিলিং স্টেশনের ট্যাংকারে ভিতর পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যায়। অন্য গুলোতে ডিজেল পাওয়া গেছে। একজন বাইক চালক অভিযোগ করে বলেন,অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল নেই। মাঝে মধ্যে ফিলিং স্টেশনে দির্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থেকে এক থেকে দুইশত টাকার পেট্রোল পাওয়া যায়। আবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চুরাই পথে তিনশত টাকা লিটার ফুল টেংকি পেট্রোল বা অকটেন পাওয়া যাচ্ছে। যারা চুরাই ভাবে পেট্রোল বিক্রি করছে তারা পেট্রোল কোথায় থেকে সংগ্রহ করছে। ভালুকার এ আর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সুজিৎ কুমার কপালী লিটন জানান, শুধু ডিজেল আসে বিদেশ থেকে আর দেশের ভিতরেই পাওয়া যায় পেট্রোল ও অকটেন। তাহলে কেন চাহিদা অনুযায়ী পেট্রোল ও অকটেন ডিপো থেকে দেয়া হচ্ছে না। ৪ মার্চ আমার ফিলিং স্টেশনে ডিপো থেকে অকটেন দেয়া হয়েছিল,আর কয়েক বার পেট্রোল দেয়া হয়েছে। অগ্রীম টাকা দিয়েও ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন আনতে পারছিনা। প্রতিদিন পয়ত্রিশ শত লিটার পেট্রোল ও পঁচিশ শত লিটার অকটেনের চাহিদা রয়েছে। আমার ফিলিং স্টেশনে ডিজেলের কোন সংকটন নেই। ভালুকা উপজেলার সহকারী কশিনার ভুমি ইকবাল হোসাইন জানান,মহাসড়কের ৬টি ফিলিং স্টেশনে তল্লাশী করা হয়েছে। দুইটিতে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া গেছে। ফিলিং স্টেশন গুলোতে ডিজেল রয়েছে,কোন সংকট নেই। পেট্রোলের সংকট কাটানোর জন্য এখন থেকে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হবে। যাতে কোন অনিয়ম না হয়।