ভালুকায় বনকর্মকর্তা মশফিকুৃর রহমান মানিকের উপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে এবং পিটিয়ে আহত করার এঘটনায় বনকর্মকর্তা বাদি হয়ে ভালুকা মডেল থানায় মামালা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের দেড় মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ আসামী গ্রেফতার করছে না। জানা যায়, ভালুকা রেঞ্জের মেহেরাবাড়ি ক্যাম্পের ইনচার্জ মশফিকুর রহমান মানিকসহ দুই বনকর্মকর্তা বনের জমি জবরদখলের সংবাদ পেয়ে উপজেলার হাজির বাজার এলাকায় যায়। এ সময় ভুমিদুস্যরা বনকর্মকর্তার উপর হামলা চালিয়ে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং তার হাত পা ভেঙে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভালুকা সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থায় অবনতি হলে তাৎক্ষনিক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বনকর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান মানিক বাদী হয়ে উপজেলার বাশিল গ্রামের মোর্শেদ ঢালীর ছেলে শাকিল ঢালীকে প্রধান আসামী করে ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ ২৮/৩৪ জনের নামে ভালুকা মডেল থানায় মামলা (নম্বর ১২, তারিখ ১৬,০২,২৬) দায়ের করেন। দেড়মাস পার হলেও মামলার আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন বনবিভাগের কর্মচারী,কর্মকর্তাসহ এলাকাবাসী। কারন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থাকায় আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ আসামী গ্রেফতার করছে না। এতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি আরও জোরদার হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বনকর্মকর্তা মশফিকুর রহমান মানিক বলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছি। আসামীদের গ্রেফতার করছে না পুলিশ। আসামীরা তাদের অপরাধকে আড়াল করার জন্য এবং আদালত থেকে জামিন পাওয়ার জন্য উল্টো আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা করছে। মামলার তদন্তককারী কর্মকর্তা ভালুকা মডেল থানার এসআই হারুন অর রশিদ জানান, ওই মামলায় দুই আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছ এবং অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।