নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরিশালের রাজধানী নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝালকাঠীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৩১ মার্চ মামলাটি দায়ের করেন মো. মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি বরিশাল রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি পটুয়াখালীর বাসিন্দা হলেও ব্যবসায়ীক সূত্রে বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন। মামলার বাদী মো. মশিউর রহমান ও দ্বিতীয় আসামি আয়শা আক্তার বিবাহ সূত্রে স্বামী ও স্ত্রী। মামলার এজাহারে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সকাল ১০টায় আসামি জহিরুল ইসলাম ও দ্বিতীয় আসামি আয়শা আক্তারকে ঝালকাঠী সদর উপজেলার আলীপুর শশাংক গ্রামের বড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়। এসময় বাদীর মা মর্জিনা আক্তার এসব দেখে ডাক-চিৎকার দিলে আসামিদ্বয় বাদীর বসত ঘরে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকা ও একভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় তিনলাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এসময় আসামি জহিরুল ইসলাম মামলার ২ নাম্বর আসামি আয়শা আক্তারকে নিয়ে বাদীর সন্তানসহ প্রাইভেটকারে উঠিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। বাদীর অভিযোগ জহিরুল ইসলাম একজন অসৎ চরিত্রের লম্পট, নারী লোভী প্রকৃতির লোক। সে রাজধানী নার্সিং কলেজ বরিশালের চেয়ারম্যান। উক্ত নার্সিং কলেজে বাদির স্ত্রী আয়শা আক্তার সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকায় ১ নং আসামির সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে বাদী আসামিদের বারন করা স্বত্বেও তাদের অবৈধ সম্পর্ক অটুট রাখে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে অসংখ্যবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ থাকায় কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। আশয়া আক্তারের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।