বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আজ মঙ্গলবার দ্রব্যমূল্য সংক্রান্ত টাস্কফোর্স বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির ফলে খাদ্য মূল্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে না। তারপরও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সহায়তার জন্য সরকারের অনেক সামাজিক কর্মসূচি আছে, টিসিবি আছে, দুই ঈদে আলাদা করে ট্রাক সেল করা হয়। এ ছাড়াও ফ্যামিলি কার্ড আছে, সেটিও আস্তে আস্তে বিস্তার হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বালানির মূল্য বাড়ার ফলে মূল্যস্ফীতি ঘটলেও সেটার অভিঘাত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন অনুভব না করে, সেজন্য প্রয়োজনে যথাযথ হস্তক্ষেপ করতে পিছপা হবে না সরকার। মূল্যস্ফীতি নিয়ে চিন্তিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, তদারকি জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তদারকি আরও বাড়ানো হবে।
তিনি জানান, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করতে সরকার বাধ্য হয়েছে। অর্থনীতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে এ সমন্বয় প্রয়োজন ছিল।
‘বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশি বিকশিত নয়। জল্পনার কারণে অনেক সময় ইনফ্লেশন হয়। তখন কোনো একটি পণ্য কেনার জন্য অস্থির হয়ে যায়। জল্পনার জন্য ক্রয় আচরণ যেন প্রভাবিত না হয় সেদিকে সচেতন থাকতে হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।
আমদানি পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্থিতিশীল আছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ একটু কম আছে, খোলা সয়াবিন পর্যাপ্ত আছে। খোলা সয়াবিন নির্ধারিত মূল্য থেকে একটু বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়টি সরকার নজরে রেখেছে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।
‘জল্পনার কারণে যেন মূল্যস্ফীতি না ঘটে এবং বাজার যেন নেতিবাচকভাবে ভুল পথে পরিচালিত না হয়, সেদিকে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারও তার দায়িত্ব পালন করবে’-যোগ করেন বাণিজ্য মন্ত্রী।