কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে দিনের বেলায় প্রবাসী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শিউলি আক্তারের চোখ-মুখ হাত বেঁধে দস্যুতার ঘটনায় চার দিন পর দেবর মিজানের ঘর থেকে লুটের টাকা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী গৃহকর্ত্রীর দেবর মিজানকে এবং তার স্বীকারোক্তিতে সঙ্গী ইমন নামে এক যুবককেও গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া মিজান ইনামুদ্দিনের ছেলে এবং ভিকটিমের দেবর। গ্রেপ্তার হওয়া অপর যুবক ইমন পাশ্ববর্তী দড়িপাড়া গ্রামের নজরুলের ছেলে। ঘটনার পর থেকেই মিজান বাড়ি ছেড়ে তার শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিল ।
জানা যায়, শুক্রবার ভোরে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কটিয়াদী মডেল থানার একটি টিম জামষাইট গ্রামে মিজানের শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ বাড়ি বনগ্রাম পশ্চিম পাড়া তার বসতঘরের চালের বস্তার ভেতরে লুকানো লুট হওয়া স্বর্ণ ও নগদ টাকা এবং এ ঘটনায় জড়িত ইমন নামে তার সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করা হয়। কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তদন্ত শুরু করি। বিভিন্ন সূত্র ব্যবহার করে ভুক্তভোগী শিউলি আক্তারের দেবর মিজানকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। তার তথ্যের ভিত্তিতে সঙ্গী ইমন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দস্যুতার মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত সোমবার সকাল ১০টার দিকে কৌশলে ঘরে ঢুকে শিউলি আক্তারের চোখ, হাত পা বেঁধে জিম্মি করে আলমারী থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করে নিয়ে যায়।