শনিবার কিশোরগঞ্জে ভৈরবের শ্রীনগর ইউনিয়নে ভবানীপুরে বিবদমান দুই বংশ বেলা ১১ টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এক ঘন্টা ব্যাপি রক্ত ক্ষয় সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। এতে পাভেল নামে (২৪) এক যুবক গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই সময় কমপক্ষে ১০টি বাড়ী-ঘর ভাঙ্গচুর হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়নতনে আনে। এলাকার সূত্রে জানা গেছে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বদুর বংশ ও সদার বংশের মাঝে গত প্রায় এক মাস যাবত চার বার সংঘর্ষ হয়। কি কারণে বা কি নিয়ে সংঘর্ষ দুই পক্ষের কেউ কেউ সুষ্পট ভাবে বলতে পারছে না। কেউ কেউ বলছে মোবাইলের ফেইসবুকে স্ট্যাটস দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ২০-২৫ দিন আগে দুই পক্ষের মধ্যে তরকাতরি এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাদে। এই নিয়ে গত বুধবার শ্রীনগর ইউনিয়নে তেয়ারিচর এলাকায় শালিশী বইঠকের মাধ্যমে চলমান সংঘর্ষ নিয়ে মিংমাসা হয়। তখন শালিশি বৈঠকে ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় ইউনিয়নের মুরব্বি মোঃ নুরু মেম্বারের সভাপতিত্বে শালিশী বৈঠকে মিংমাসা হয়। বৈঠকে বাড়ী ভাঙ্গা বাবদ ৩০ হাজার, মারামারি বাবদ ৪০ হাজার ও দুইপক্ষের আহতদের চিকিৎসার বাবদ ৫০ হাজার করে জরিমানা করা হয়। বুদুর বংশের ১৫ হাজার টাকা বেশি রায় হলে মন ক্ষুন থাকে মাসুম মিয়ার নেতেত্ব বুদুর বংশ। এই নিয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধা ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দুইপক্ষ সংঘর্ষ লিপ্ত হয়। এই সময় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়।
গতকালের জের হিসাবে আজ শনিবার সকাল ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত আবার দুই পক্ষ রক্ত ক্ষয় সংঘর্ষ লিপ্ত হয়। খরব পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়তনে আনে। সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হওয়ার খরব পাওয়া গেছে। আহত ব্যক্তিরা ভৈরবের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে এবং কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপক্সে চিকিৎসা নেওয়ার খরব পাওয়া গেছে। এই সময় আহতদের মাঝে বুদুর বংশের মিজান মিয়ার ছেলে মোঃ পাভেল মিয়া মাথায় বলমের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। তাকে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপক্সে নেওয়া হলে কতর্ব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করতে বলে। বর্তমানে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল হাসপাতালে তাকে মুমুর্ষু অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আংক্ষা বলে জানান তার স্বজনরা। কিন্তু পাভেল নামে কোন ব্যক্তি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি নেই বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ । ভৈরব থানা অফিসার ইনর্চাজ আতাউর রহমান আর্কন্দ জানান ,পরিস্থিতি আমাদের নিয়নত্রনে আছে। বর্তমানে আমাদের ১০ জন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে আছে। তবে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আমরা সর্তক আছি।