শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যার্বন দিবস ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গতকাল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল করেছে যুবলীগ। এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই মিছিলের প্রতিবাদে রাতে সরাইল সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। মিছিল শেষে থানা ঘেরাও করে বিভিন্ন ধরণের স্লোগান দেন।
রোববার (১৭ মে) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর এলাকায় যুবলীগের মিছিলটি বের হয়ে স্থানীয় ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
সূত্রে জানা গেছে, সরাইল উপজেলা যুবলীগের সদস্য শেখ মোহাম্মদ মুন্নার নেতৃত্বে মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কারাবন্দী নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিও জানান তারা।
মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা দেশের তেল-গ্যাস সংকট, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা এবং হামের টিকার সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায় অংশগ্রহণকারীদের। মিছিলের পর অভিযান চালিয়ে সরাইল থানা পুলিশ বিশাল নামের এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত ওই সংগঠনের মিছিলের ভিডিও মূহুর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফুঁসে উঠেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দলীয় প্যাডে লিখিত বিবৃতি দেন উপজেলা বিএনপি' সভাপতি মো. আনিছুল ইসলাম ঠাকুর ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু। সন্ধ্যার পর সরাইল সদরে যুবলীগের মিছিলের প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। মিছিলটি সরাইল সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সরাইল থানা ঘেরাও করে। থানার প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে তারা বিভিন্ন ধরণের প্রতিবাদী স্লোগান দেন।
এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনজুর কাদের ভূইয়া বলেন, বিষয়টি আগে থেকে আমাদের জানা ছিল না “মিছিলের খবর পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”