মোঃ আব্দুর রহিম ওরফে মন্টু এবং আব্দুর রাজ্জাক, পিতাঃ মৃত আব্দুল জলিল। এখন পরিচয় দিতে লজ্জা লাগলেও তারা আমার দুই মামা। ঠিকানাঃ গ্রামঃ বালুদিয়াড়, ইউনিয়নঃ শলুয়া, থানাঃ চারঘাট, জেলাঃ রাজশাহী।
উলেখ্য, আমার নানা আব্দুল জলিল গত ১৫ই মার্চ ২০২৩ তারিখে মৃত্যুবরণ করে। আল্লাহ নানাকে জান্নাতবাসী করুন।
অথচ আজ পর্যন্ত আমার নানার জমিজমা সংক্রান্ত কোন হিসাব আমার আম্মা এবং খালাদের নিকট খোলাসা করেনি। ভাগাভাগি তো অনেক দূরের কথা!
এই বিষয় নিয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার আলোচনায় বসলেও তারা (মন্টু-রাজ্জাক) ভাগাভাগির জন্য বিভিন্ন সময় দিলেও তারা তাদের কথা না রেখে মোনাফেকি করেছে এবং করছে। এছাড়াও আমার আম্মা এবং খালাদের সাথে যাচ্ছেতাই ব্যবহার এবং গালাগাল পর্যন্ত করেছে। মন্টু-রাজ্জাকের আচরণ এবং ব্যবহার কেমন তা সেই এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন, আমি আর বেশী কিছু বলছি না।
এরমধ্যে কখনও বলে আংশিক জমি দিবে কিন্তু সেটা আবার তাদের নিকট লিজ দেওয়া লাগবে। বাকিটা পরে ভাগাভাগি করবে। কিন্তু কোন কাগজ বের করবে না। সঠিকভাবে হিসাবও দিবে না কতটুকু করে ভাগ পাবে বোনেরা।
তবে এর মাঝে তারা দুই ভাই নিজেরা দুজনের মধ্যে ভাগাভাগি করে সম্পূর্ণ জমি ভোগ দখল করতেছে।
তারা দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়জন মন্টু চাকরি করে নন্দনগাজি কলেজে, ক্লার্কের আর রাজ্জাক চাকরি করে বালুদিয়াড় দাখিল মাদ্রাসায়।
নিজেকে জামায়াতের একনিষ্ঠ কর্মী ও সমর্থক পরিচয় দিয়ে ন্যায় ও ইনসাফের কথা বলা এই মন্টু-রাজ্জাক আসলে বাটপার ও জমি আত্নসাৎকারী। আমি এদের সামাজিক ও আইনী বিচার দাবী করছি।