বাজিতপুর ও নিকলীতে গরুর বাজার জমজমাট: ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : | প্রকাশ: ২১ মে, ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
বাজিতপুর ও নিকলীতে গরুর বাজার জমজমাট: ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ও নিকলীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে গরুর বাজার জমে উঠেছে। গতবছর এই হাটের ইজারা মূল্য হয়েছিল পৌনে ৪ কোটি টাকা। কিন্তু এবছর এর ইজারা মূল্য হয়েছে ১ কোটি ২৫ কোটি লক্ষ টাকা। কিন্তু একটি প্রভাবশালী মহল সাজনপুর ১৩ সমাজের নিকট ২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা বিক্রি করে দেন। সরকার গতবছরের তুলনায় এবছর বিশাল রাজস্ব হারিয়েছেন এই প্রভাবশালী মহলটির কারণে। এরই মধ্যে নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর গরুর বাজারে গত বুধবার গরুর ইজারা ৬০০ টাকার পরিবর্তে ক্রেতা ও বিক্রেতার নিকট থেকে ১২০০ টাকা করে প্রতি গরুতে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষ্যে সাজনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গরুর বাজার জেলা প্রশাসক ও নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আদেশে এই বিদ্যালয়ে গরুর হাট না বসানোর জন্য নিষেধ করেছেন গরুর বাজারের ইজারাদারদের। একদল সাংবাদিক গরুর বাজারে গেলে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের অভিযোগ প্রতি গরুতে ইজারা নেওয়ার কথা ৬০০ টাকা তার পরিবর্তে ১২০০ টাকা নিয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। এবছর গরুর দাম খুব একটা বেশী নয়। তার কারণ বৈশাখ মাসে ইরি বোরো ধানের কৃষকদের ফসল পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে কৃষকরা তাদের গরুগুলো বিক্রি করে দিচ্ছেন। ছোট ও মাঝারি গরুর দাম গড়ে ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। বড় গরুর দাম গড়ে ১ লক্ষ টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা হলেই গরু পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে খাসির দাম খুব চড়া। মহিষের দাম খুব একটা বেশী নয়। ১ লক্ষ টাকা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হলেই একটি মহিষ পাওয়া যাচ্ছে। সেই সুযোগে সাজনপুর ইজারাদাররা তাদের ইচ্ছামত ইজারা নিচ্ছেন বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে বাজিতপুর উপজেলার সরারচর বাজারে গরু বিক্রি হচ্ছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে