আশাশুনি উপজেলার কলিমাখালীতে মৎস্য ঘেরে অনাধিকার প্রবেশ করে জবর দখলের চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত মর্জিনা খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
কলিমাখালী গ্রামের মৃত আঃ জব্বার মোড়লের ছেলে মৎস্য ঘের মালিক শাহজাহান হাবিব বাদী হয়ে লিখিত এজাহার সূত্রে জানাযায়, কলিমাখালী মৌজায় বাদীর পৈত্রিক অনু: ১২ বিঘা সম্পত্তির মৎস্য ঘের আছে। প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন হতে বাদীর ভোগ দখলে বাধা সৃষ্টি ও মৎস্য ঘের জবর দখলের ষড়যন্ত্র করে আসছে। গত ইং-১৩ জুন সকাল ১০ টার দিকে তারা দা, রড, হাতুড়ী, চাইনিজ কুড়াল, কোদাল, বাঁশের লাঠি ইত্যাদি নিয়ে মৎস্য ঘেরে অনধিকার প্রবেশ করে জবর দখলের চেষ্টা করতে থাকে। বাদী, বাদীর ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন গং বাধা নিষেধ করায় প্রতিপক্ষ অতর্কিত আক্রমন করতঃ এলোপাতাড়ী কিল, ঘুষি মেরে আহত করে। জামার পকেটে থাকা মৎস্য কাটার ব্যবসায়ীক ৫০,৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। লোহার হাতুড়ী দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মর্জিনার মাথায় আঘাত করতে গেলে মাথা সরায়ে নেওয়ায় ঘাড়ের পিছনে লেগে মারাত্মক হাড়ভাঙ্গা থেতলানো জখম প্রাপ্ত হয়। তার পরনের কাপড় টানাটানি করে বেআক্র করতঃ শ্লীলতাহানী ঘটায়। মৎস্য ঘেরের বাঁধ কেটে অনু: ২,০০,০০০ টাকার ক্ষতিসাধন করে। স্বাক্ষীরা ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা মামলা বা অভিযোগ না করতে এবং খুন জখমের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। মর্জিনাকে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।