সারিয়াকান্দিতে

অবৈধ বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে নদীর তীরে প্রকল্প ও জনবসতি

এফএনএস (ইমরান হোসাইন রুবেল; সারিয়াকান্দি, বগুড়া) : | প্রকাশ: ২০ জুন, ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
অবৈধ বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে নদীর তীরে প্রকল্প ও জনবসতি

সারিয়াকান্দি  উপজেলার কামালপুর রৌহদহ ও চন্দনবাইশা ইউনিয়নের ঘুঘুমারি শেখপাড়া গ্রামে বালু দস্যুরা যমুনা নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প  ও পাঁচ গ্রামের শ' 'শ বিঘা আবাদি জমি যমুনা নদী গর্ভের হুমকিতে পড়েছে। বার বার প্রশাসনকে জানিয়েও কোন কাজ না হওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালী বালুদস্যুরা আরও বেপরোয় হয়ে উঠেছে।

ওই দুই গ্রামের বাসিন্দারা জানান, যমুনা  নদীর তীরবর্তি  চন্দনবাইশা, ঘুঘুমারি, শেখপাড়া, রৌহদহ,কামালপুর, দড়িপাড়া,ফকির পাড়া ও ধলিকান্দি পয়েন্টে ৮টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অপরিকল্পিত, অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার বালু তোলা হচ্ছে। এতে নদীপারের ওই সব গ্রাম সহ শ' শ' বিঘা ফসলি জমি ও এছাড়াও শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্প ভাঙনের মুখে পড়েছে। অপর দিকে যমুনা নদীর বাম তীরে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গন।অপরিকল্পিত বালু  উত্তোলনের কারণে জনবসতিপূর্ণ বিভিন্ন চরগ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। চন্দনবাইসা এলাকার এলাকার স্থানীয়, কৃষক কুদরত -ই-খুদা বলেন,সংসদ নির্বাচনের আগে আশা করেছিলাম যমুনায় অবৈধ, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন বন্ধ হবে,বরং এখন আগের চেয়ে এখন আরো দুর্বার গতিতে চলছে।

অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বালু ব্যবসা করা আমার কাজ।তবে ব্যবসার আমি প্রকৃত মালিক না,যারা জড়িত আছেন, তাদের কিছুই করতে পারবেন না। কামালপুর ও চন্দনবাইসা ইউনিয়ন এলাকার কৃষকরা বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে বার বার অভিযোগ করেও কোন কাজ হয়নি। তবে গত মঙ্গলবার  সারিয়াকান্দির ইউএনও নিষেধ করলেও তা কেউই মানছেন না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে বিরুদ্ধে  অভিযান আব্যাহত আছে এবং থাকবে ।