কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শুন্য রেখায় ৭ দিন ধরে আটকে আছে বিএসএফ'র পুশইন চেষ্টার শিকার ৫ যুবক। এরমধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে ২ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্তে ৩ জন। ঝড়-বৃষ্টি ও তীব্র রোদ মাথায় নিয়ে সামান্য প্লাস্টিকের ছাউনির নীচে নিদারুন কষ্টে দিন পার করছেন তারা। নেই তাদের প্রয়োজনীয় খাবার ব্যবস্থা কিংবা গোসলের পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থাও। এ দিকে দুই সীমান্তে পুশইন চেষ্টার শিকার ৫ জনকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি'র ও বিএসএফ। গত রোববার (১৪জুন) ভোর সাড়ে ৫টায় গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাসহ ৬ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনসহ মোট ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বাঁধা দেয় বিজিবি ও এলাকাবাসী। পরে তাদের আশ্রয় হয় দু'দেশের সীমান্তের শুন্য রেখায় ভারতের অংশে। এরপর গত বুধবার ভোর বেলায় গয়টাপাড়া সীমান্তের শুন্য রেখা থেকে ২ শিশু ও তাদের বাবা- মাকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, দু'দেশের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তের শুন্য রেখায় মানবেতর জীবন-যাপন করা ব্যক্তিদের দ্রুত সরিয়ে নেয়া হোক। জামালপুর ৩৫- বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের জন্য উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে ।