পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া বন্দরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানের চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদারের (৫২) ওপর হামলা, মারধর ও ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফয়সাল আহম্মেদ ওরফে মনির হোসেন মোল্লার (৫০) বাসভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। মারধর করা হয়েছে ব্যবসায়ী ও একই ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ফোরকানকে (৪৫)।
আজ সোমবার রাতে উপজেলার ঐতিহ্যবাহি কালাইয়া বাজার এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার রাতে কালাইয়া বাজার এলাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রিয়াজ পঞ্চায়েতের নেতৃত্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি সাড়ে সাতটার দিকে প্যাদা রোডে পৌঁছালে ওই মিছিল থেকে ওষুধ ব্যবসায়ী রাজীব চন্দ্র শীলের (৩০) দোকানে ও মো. জাফর খানের (৪০) হার্ডওয়ারের দোকানে হামলা চালানো হয়। ওই সময় ব্যবসায়ী রাজীব ও জাফরকে মারধর করা হয়। কিছু সময় পরে কাটপট্রি সড়কের কালাইয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের অস্থায়ী ইউপি কার্যালয় কাম রড সিমেন্টের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে তাঁকে মারধর করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট করা হয়। ওই মিছিল থেকে আরেক ব্যবসায়ী ও কালাইয়া ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. ফোরকানকে মারধর করে।
মিছিলকারীরা রাত আটটার দিকে সুন্দরী সিনেমা হল সড়কে কালাইয়া ইউপির চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফয়সাল আহম্মেদের বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর করে। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর থেকে ফয়সাল আহম্মেদ এলাকাছাড়া।
কালাইয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেছেন, কোনো কারণ ছাড়াই তাঁকে মারধর করে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চার লক্ষাধিক টাকা হামলাকারীরা লুট করে নিয়ে গেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন,‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।