দৌলতপুর সীমান্তে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ এবং অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে পরিচালিত পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ কারেন্ট জাল, চায়না জাল এবং মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল ও মাদকদ্রব্যের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য (পাঁচ কোটি চুয়াত্তর লক্ষ বত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা।
সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ চরচিলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পদ্মা নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি চৌকস টহল দল দেশীয় নৌকা ও স্পিডবোটযোগে উক্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে মৎস্য কর্মকর্তা, কুষ্টিয়ার উপস্থিতিতে জব্দকৃত জালসমূহ পরিমাপ করা হলে ভারতীয় কারেন্ট জাল ৫,০৫০ কেজি এবং চায়না জাল ৪,৮৪৫ কেজি পাওয়া যায়, যা বিধি মোতাবেক ব্যাটালিয়ন সদরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। । জব্দকৃত জালসমূহের আনুমানিক সিজার মূল্য (পাঁচ কোটি তিয়াত্তর লক্ষ আশি হাজার) টাকা।
এছাড়াও, ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ রংমহল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৩৭/২-এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রংমহল নামক স্থানে বিজিবির একটি চৌকস টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য (বায়ান্ন হাজার পাঁচশত) টাকা।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ রোধ এবং অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ প্রতিহত করতে সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি মালামালের অনুপ্রবেশসহ সকল প্রকার অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।