বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তি ও বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অর্জন করেছেন রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী আরাফাত আনোয়ার। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ার আলী তুহিনের ছেলে। ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজশাহী থেকে অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫.০০ অর্জন করায় আরাফাত আনোয়ারকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট তার এই শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থী আরাফাত আনোয়ারের হাতে বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তি/২০২৫ ও একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ফকিরের পক্ষ থেকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
দিনাজপুর পুলিশ সুপারের হাত থেকে এ পুরুস্কার ও সম্মাননা কেষ্ট গ্রহন করেন আরাফাত আনোয়ারের পিতা ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেন তুহিন। আরাফাত আনোয়ারের এ সাফল্যে তার পরিবার, স্বজন, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী আরাফাত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে পরিবারের পাশাপাশি তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও সুনাম বয়ে এনেছেন।
আরাফাত আনোয়ারের বাবা মো. আনোয়ার আলী তুহিন বাংলাদেশ পুলিশের একজন ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সন্তানের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গঠনে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। ছেলের এমন সাফল্যে পরিবারে আনন্দের পাশাপাশি গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, আরাফাত আনোয়ার ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান। তার এই শিক্ষাগত অর্জন ভবিষ্যতের পথচলায় আরও উৎসাহ জোগাবে বলে মনে করছেন পরিবারের সদস্যরা।
বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আরাফাত আনোয়ারকে দেওয়া অভিনন্দন বার্তায় তার অসামান্য শিক্ষাগত সাফল্যের প্রশংসা করা হয়। এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা তার মেধা ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরাফাত আনোয়ার বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তি ও একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। এই সম্মাননা আমার ভবিষ্যৎ পড়াশোনায় আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। আমার বাবা-মা, শিক্ষক ও যারা সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
তিনি আরও বলেন, “আমার এই সাফল্যের জন্য যারা আমাকে দোয়া ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে চাই। আমি সকলের কাছে আমার জন্য দোয়া কামনা করছি।” ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ার আলী তুহিন বলেন, “সন্তানের ভালো ফলাফল অবশ্যই একজন বাবা হিসেবে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তবে এই অর্জনের পেছনে আমার ছেলের কঠোর পরিশ্রম, তার শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সবার দোয়া রয়েছে। আমি চাই, সে ভবিষ্যতেও পড়াশোনায় মনোযোগী থেকে একজন সৎ, যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। আরাফাত আনোয়ারের এই সাফল্যে তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে আরাফাত নিজেও তার আগামী দিনের পড়াশোনা ও পথচলার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।