কিশোরগঞ্জের হাওরে ইরি বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) :
| আপডেট: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম | প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
কিশোরগঞ্জের হাওরে ইরি বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, নিকলী, কুলিয়ারচরের একাংশ, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনায় গত কয়েকদিনে কৃষকের ইরি বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কোনো কোনো হাওর এলাকায় প্রচন্ড বৃষ্টিতে কৃষকের নতুন ধান থেকে চারা গজিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রৌদ্র উঠায় এসব হাওরে ডুবন্ত ইরি বোরো ধানের লাছ, জমাট বাধা কৃষকের ধান কিছুটা স্বস্তি উঠেছে বলে কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে বাজিতপুর উপজেলার দিঘীরপাড়ের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধানের জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ায় পুনরায় কৃষক ধান কাটা শুরু করেছে। হুমাইপুর হাওরের কৃষক ইকবাল মিয়া জানান, তার কয়েক একর জমির মধ্যে পানি নেমে যাওয়ায় তিনি আজ থেকে ধান কাটা শুরু করেছেন। নিকলী হাওরের ছাতিরচর ইউনিয়নের ধনু নদীতে পানি নামতে শুরু হওয়ায় আগামী শুক্রবার থেকে কৃষকরা পুনরায় ধান কাটা শুরু করবেন বলে অনেক কৃষক জানিয়েছেন। অন্যদিকে অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনা উপজেলার হাওর গুলোতে ধনু নদীর পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় জমিগুলোর ধান কাটতে আরো কয়েকদিন লাগতে পারে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে। জানা যায়, এসব হাওরে কৃষকদের নিকট থেকে পাইকাররা ৭০০-৮০০ টাকায় ভেজা ধান কিনে নিচ্ছেন। যেখানে কৃষকের জমিতে খরচ পড়েছে ১ হাজার টাকা। এসব হাওরে কয়েক হাজার কৃষক লক্ষ লক্ষ টাকার ধান ক্ষতি হয়েছে বলে তারা জানান। বাজিতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, বাজিতপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ইরি বোরো ধানের আংশিক ক্ষতি হলেও কৃষকরা এখন পুষিয়ে নিতে পারবেন। তিনি বলেন, এসব ইউনিয়নে হাওরে ৫০-৬০ ভাগ কাটা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে