মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানববন্ধনে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কাদাকাটি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল করিম সানা। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ৯ নং ওয়ার্ডের জামায়াত নেতৃবৃন্দ দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করে আসছে। গত ২০ মার্চ সকালে টেকা কাশিপুর গ্রামের আব্দুস সালাম ও দাউদ সানার মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে গোলযোগ হয়। সালামের ফোন পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি দাউদের স্ত্রী সোনাভান, ছেলে শাহিনুর, আইনুর ও মেয়ে কোহিনুর সহ তাদের সহযোগীরা সালামের বাড়ি ভাংচুর করা সহ ও ১৫০ পিস নারিকেলের চারা গাছ বিনষ্ট করেছে। তাদের মারপিটে সালাম ও তার স্ত্রী শেফালি গুরুতর আহত হয়। আমি সেখানে যাওয়ায় দাউদ সানার ছেলেরা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি ধামকি দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যায় আমি বিএনপি অফিসে বসে থাকা কালীন তারা দলবদ্ধ হয়ে বিএনপি অফিস ভাংচুর করে। আমি ও আমার দলীয় লোকজন বাধা দিলে তারা আমাদেরকেও মারপিটে আহত করে।
এ ঘটনায় সালাম বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখসহ ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবু বকর সিদ্দিক, গোলাম মোস্তফা, ইউনুছ মোড়ল, রহমত আলী, আকবর সরদার ও মহিদ সরদার ষড়যন্ত্র করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে ২৩ মার্চ দুপুরে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে তারা সালামের স্ত্রী ও আমাকে জড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করে এবং মারপিটের ঘটনাটিকে মিথ্যা বলে অপপ্রচার করে। বক্তব্য প্রদানকারীদের মধ্যে ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবু বকর সিদ্দিক ধর্ষণ মামলায় জেলখাটা আসামী, গোলাম মোস্তফা ভূয়া এনজিও খুলে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতকারী ও ইউনুছ আলী জুয়াড়ী হলেও তারা নিজেদের দোষ ঢাকতে বিএনপির ভাবমুত্তী নষ্ট করতে মানববন্ধনে বিভিন্ন অপপ্রচার করে। আমি ও আমার দল এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি সমাজে মিশে থাকা এসব ধর্ষক, অর্থ আত্মসাতকারী ও জুয়াড়ীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়।