বিরলে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের প্রশ্ন এটি আত্মহত্যা নাকি নির্যাতনের পর হত্যা? ভিকটিমের পরিবার অভিযোগ নির্যাতনের শিকার হয়েই মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় বিরল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।
নিহতের পরিবার জানায়, বিরল উপজেলার ০৫ নং বিরল ইউনিয়নের পুরিয়া (বড় পুরিয়া) গ্রামের তোফা এর কন্যা মোছাহ তিশা (২২) এর সাথে প্রায় ০১ বছর পূর্বে ১০ নং রাণীপুকুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া (পূর্বপাড়া) গ্রামের মৃত শহিদুর রহমান এর ছেলে আব্দুল লতিফ এর বিবাহ হয়। যৌতুকের দাবিতে প্রায়ই নির্যাতন করলে বিবাহের পর পিত্রালয় হতে গরু-বাছুরসহ প্রায় ০১ লাখ ৭০ হাজার টাকার উপহার দেয়া হয় জামাইকে। তারপরও নির্যাতন কমেনি বরং মেয়ের লাশ মিলল ০৭ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর শশুড়ালয়ে। মেয়ের নিথর দেহ দেখতে গিয়ে শরীরে আঘাতের বেশকয়েকটি চিহ্ন দেখতে পেয়ে থানায় মামলা দায়ের করতে এসেছেন বলে জানান আমাদের প্রতিবেদককে।
এদিকে, প্রতিবেশি মৃত মারফত আলীর ছেলে আলআমিন ভিকটিমের ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ভিকটিমের শয়ন ঘরের বর্গার সাথে গলায় কালো রংয়ের ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে অন্যান্য প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসেন বলে স্থানীয়রা জানান। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল এমরান লাশ উদ্ধার পূর্বক থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বিকালে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য লাশ প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান।