জিসাস সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির পরিচিতি সভা

এফএনএস (একে কুদরত পাশা; দিরাই, সুনামগঞ্জ) : | প্রকাশ: ১৬ মে, ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
জিসাস সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির পরিচিতি সভা

জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার সকালে সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জিসাস সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি মছিহুর রহমান রাসেল রাসেল এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ স্পাদক তোফায়েল আহমদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, 'জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন' (জিসাস) হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শ ও দর্শন ধারণ করে পরিচালিত একটি সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন। সারাদেশে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মীদের একত্রিত করতে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সংগঠনটি কাজ করে থাকে।

বক্তব্য রাখেন, সহসভাপতি হাবিবুর রহমান, ডা. মোঃ ফারুক আহমেদ, তোফায়েল আহমদ, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুক মিয়া ও সাজু আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক বিদ্যুৎ আচার্য্য, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক নুর আহমদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা খানম, সহ-মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজা বেগম, ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক আনছার উদ্দিন, সহ-ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক সেলিম আহমদ, সমাজসেবা সম্পাদক মফিজু রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাউল সিরাজ মিয়া, সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী সফিক মিয়া, উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক আ. কাইয়ুম, সহ-উন্নয়ন সম্পাদক আজিজুল হক। এছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কুদরত পাশা, নুরুল আমিন চৌধুরী, আমিনুল ইসলাম, এড. ফজলুর রহমান, নূর আহমদ লিমন, বিভাস দাস, তাসলিমা বেগম প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, আমরা আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক জগতকে এগিয়ে নিতে সদা সর্বদা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। সুনামগঞ্জ সাংষ্কৃতিক রাজধানী, এটা, হাছন রাজা, রাধারমন, দুর্বিনশা, শাহ আব্দুল করিম, উস্তাদ রামকানাই দাসের এলাকা। এ এলাকার সাংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে হবে। আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শহিদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার অবদান কখনো ভুলার মতো নয়। খালেদা জিয়া এ দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গন বিশ্বের সব দেশের কাছে পরিচিতি লাভ করে। এছাড়া আমাদের সাংস্কৃতিক জগতকে এগিয়ে নিতে খালেদা জিয়া সব সময় কাজ করে গেছেন। মাঝখানে স্বৈরাচার সরকারের আমলে এ সংস্কৃতিতে বড় ধরনের ভাটা পড়লেও আমাদের জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে আমরা সেই ভাটা কাটিয়ে ২৪ এর গণঅভূত্থানে আমাদের সংস্কৃতি কর্মীরা স্বৈরাচারের পতন ত্বরান্বিত করতে কাজ করেছেন।আমাদের সংস্কৃতি আবার বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো ইনশাআল্লাহ। জিসাসের মাধ্যমে সুনামগঞ্জের সংস্কৃতি বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়বে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে