হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌর শহরের পূর্ব মাধবপুর এলাকা থেকে সামান্তা আক্তার (১৮) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরন করেছন। নিহত সামান্তা আক্তার সরাইল উপজেলার দেওড়া গ্রামের শাহ আলমগীরের মেয়ে। সোমবার সকালে পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা জিতু মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে এই মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সামান্তা আক্তার মাধবপুরের আদাঐর গ্রামে তাঁর নানা বাড়িতে বড় হয়েছেন। পরবর্তীতে বিজয়নগর উপজেলার হাজিপুর গ্রামের চমক মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়ার (৩০) সাথে প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাঁদের বিয়ে হয়। সবুজ মিয়া স্থানীয় চান্দুর আমতলী এলাকার একটি মেডিকেল সেন্টারের শেয়ারহোল্ডার। বিয়ের পর সামান্তা জানতে পারেন যে, সবুজ মিয়ার পূর্বেও আরেকটি স্ত্রী এবং দুটি সন্তান রয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য গোপন রেখে বিয়ে করায় তাঁদের দাম্পত্য জীবনে তীব্র কলহ দেখা দেয়। নিহতের মা জানান, সোমবার সকাল ৮:৩০ মিনিটের দিকে তাঁর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের বাসায় ফিরে আসেন সামান্তা। এর কিছুক্ষণ পরেই আকস্মিকভাবে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান তাঁরা। স্বজনরা দ্রুত বাসায় গিয়ে ঘরের ভেতর সামান্তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সোহেল রানা জানান এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।