মেহেরপুরের গাংনীতে আবারও ককটেল সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের চরগোয়াল গ্রামের মোঃ আতিকুর রহমান হানিফের (৭০) বাড়ির প্রবেশপথে এসব রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
মো: আতিকুর রহমান হানিফ উপজেলার চরগোয়াল গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।
আজ বুধবার সকালে পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হতে গিয়ে বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানান।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনা স্থানে পৌঁছে ককটেল সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করে গাংনী থানায় নেয়।
তবে চিরকুটে কি লেখা আছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালটেপ দিয়ে মোড়ানো ১টি ককটেল সদৃশ বস্তু, এবং ১টি চিরকুট পাওয়া গেছে এমন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায়।এরপর প্রশাসন এসে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করে গাংনী থানায় নিয়ে যায়।এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।গাংনীতে প্রায়ই এরকম ঘটনা ঘটছে।এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য এগুলো করে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।এ ব্যাপারে প্রশাসনের জোরালো ভুমিকা নেওয়া দরকার।
বাড়ির মালিক আতিকুর রহমান হানিফ বলেন, আমার বাড়ির সামনে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও চিরকুট দেখে দ্রুত প্রশাসনকে জানাই।এই ঘটনায় আমি এবং আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।যারা এর সাথে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি করছি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানান , উপজেলার চরগোয়াল গ্রামের আতিকুর রহমান হানিফের বাড়ির গেটের সামনে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও চিরকুট কে বা কাহারা রেখে যায়।খবর পেয়ে প্রশাসন এসে এগুলো উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।দুর্বৃত্তরা এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য এগুলো করছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো ১টি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু,১টি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে।এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য: গত মাসের ৩মে উপজেলার চরগোয়াল গ্রাম, ৬ মে উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া এবং চলতি মাসের ১৮ জুন উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রাম থেকে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ।