পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র পাঁচ দিন বাকি। কুরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য ধারালো দা-বঁটি-ছুরির চাহিদা এখন তুঙ্গে। রাণীশংকৈল উপজেলার কামারের দোকানগুলোতে চলছে কর্মব্যস্ততা। উপজেলার কাতিহারহাট , নেকমরদ হাট , বুধবার হাট বন্দর বাজারসহ সব হাটবাজারে কামাররা দিনরাত হাতুড়ি পেটাচ্ছেন। লোহা পেটানোর গন্ধ আর হাতুড়ির ঠনঠন শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে এলাকা।
কলেজ বাজারের কামার জারমান আলী কুমার জানান, সারা বছরের তুলায় ঈদুল আজহার আগের দুই-তিন সপ্তাহ আমাদের জন্য কাজের এ সময় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। ক্রেতাদের ভিড় এতটাই বেশি যে, অর্ডার নিতে নিতেই দিন শেষ হয়ে যায়। শহরে স্টিলের ছুরি-চাকু আসলেও গ্রামাঞ্চলে এখনো লোহার তৈরি দেশীয় দা-বঁটির চাহিদা কমেনি। মানুষের বিশ্বাস, হাতে তৈরি লোহার অস্ত্র বেশি টেকসই এবং ধার বেশিক্ষণ টেকে থাকে। কলেজ বাজারে কুরবানির দা কিনতে আসা পৌর সভার সাবেক কমিশনার ফজলুর রহমান বলেন, প্রতি বছর ঈদের আগে এখান থেকেই দেশীয় অস্ত্র শান দিয়ে নিই- তাদের হাতের কাজ অনেক ভালো। দাম একটু বেশি হলেও মান ভালো। অপর দিকে কলেজ মার্কেট এর সামনে কামার বাক প্রতিবন্ধি কামার ফজলুর বসে নেই ক্রেতাদের কাজের মুজুরি মাটিতে লিখে হিসাব কষেই চলছে কামারি কাজ।