দীর্ঘ ২১ বছর পর শনিবার (১৩ জুন) পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই অঞ্চলে এটিই তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। এক দিনের এই সফরকে ঘিরে এখন উৎসবের আমেজ চলছে পুরো কক্সবাজারে। সফরে ঐতিহ্যবাহী পাতলী খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন, নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
দীর্ঘ দুই দশক পর প্রিয় নেতাকে বরণ করতে প্রস্তুত এখন পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। দেশের জনপ্রিয় এই জনপদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। এক দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক, রাজনৈতিক কর্মসূচি। সফরের দিন চকরিয়া থেকে পৃথক হওয়া নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা এবং পেকুয়া পৌরসভার আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকরবেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া কক্সবাজার সদরের পিএমখালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত 'পাতলী খাল' খনন কার্যক্রমের সূচনা করার কথাও রয়েছে তাঁর সফরসূচিতে। মুল কার্যক্রম শেষে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের কোল ঘেষা মেরিন ড্রাইভ পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে পরিবেশ রক্ষায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে একটি বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি। বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল জনসভা। যেখানে দীর্ঘ ২১ বছর পর কক্সবাজারবাসীর উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে ঘিরে কক্সবাজারের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। রাষ্ট্র ক্ষমতার ১শত দিন পরেই প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সফরে আসাতে খুশি নেতাকর্মীরা। তাকে রবণ করতে প্রস্তুত কক্সবাজারবাসী। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কক্সবাজারের পাতলীখাল পূর্ন খননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী এতে এলাকাবাসী আনন্দিত বলে জানালেন এই সাংসদ। প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন, তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের পর্যটনের বিকাশ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, নীল অর্থনীতির সম্ভাবনার দার উন্মোচনসহ নানামুখী উন্নয়ন সাধন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত দিয়েছেন স্থানীয়রা।