কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হরিপুর পশ্চিম দক্ষিণপাড়া গ্রামের মাস্টার আবু বকরের পরিবার ও একই গ্রামের কামরুজ্জামান লিটনের পরিবারের লোকদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জেরে শুক্রবার বিকেলে লিটনের লোকজন সন্ত্রাসী হামলা করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি সোটা দিয়ে আবুবকরের লোকজনকে কুপিয়ে পিটিয়ে ১০ জনকে আহত করে, এবং বাড়ি ঘর ভাংচুর লুট পাটের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হরিপুর গ্রামের মাস্টার আবু বকরের স্ত্রী সুফিয়া বেগম শুক্রবার বিকেলে তাদের সম্পত্তির মধ্যে একটি গাছের কাঁঠাল পাড়েন।তখন একই গ্রামের কামরুজ্জামান লিটন ও তার স্ত্রী ও একই বাড়ির মনির কাঁঠাল নিয়ে যান । তার জের ধরে, লিটন, মনির রাসেল, রাজন, রবিউল, জেসমিন হাসিনা সহ ১০-১৫ জন লোক দলবদ্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আব্দুস সোবাহানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন( ৫০)কে কুপিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এই সময় নানার বাড়ি বেড়াতে আসা ফয়জুন্নেসা সীমা তার মামা দেলোয়ার হোসেনকে বাঁচানোর জন্য চিৎকার করলে আব্দুল মান্নানের পুত্র ব্যবসায়ী মাহবুবু়ল হক(৬৫)এগিয়ে গেলে মাহবুবুল হক ও ফয়জুন্নেসা সীমাকে কুপিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে, ওই সময় সন্ত্রাসীরা মাস্টার আবু বক্করের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও তার স্ত্রীর গলার স্বর্ণের চেইন, কানের দুল সহ নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় দাবি ভুক্তভোগীদের। ওই সময় দুপক্ষের উত্তেজনা বিরাজ করলে উভয় পক্ষের ৮/৯ জন আহত হয়। আহতরা হলেন মামুন( ৪০)মিলন (৩৫)জামসেদ( ৩৫) ছুফিয়া (৪০) মনি(৪০)। আহতদেরকে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত মাহবুবুল হক, দেলোয়ার হোসেন ও ফয়জুন্নেসাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। জানা যায় আবু বকর ও লিটনের পরিবারের সাথে বিরোধকৃত সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। নাঙ্গল কোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি । অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।