চিতলমারীতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

এফএনএস (মোঃ একরামুল হক মুন্সী; চিতলমারী, বাগেরহাট) : | প্রকাশ: ৩ আগস্ট, ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
চিতলমারীতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

বাগেরহাটের চিতলমারীতে পল্লীবিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র উৎপাদন শিল্পে প্রভাব পড়েছে। এছাড়া স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় চরম বিঘ্ন হচ্ছে বলে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি দ্রুত নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসি। 

ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উপজেলাজুড়ে পল্লীবিদ্যুতের লোডশেডিং চরম মাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছে। দিনের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। দিনে-রাতে অতি মাত্রায় লোডশেডিংয় বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক কাজ-কর্ম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পরে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় চরম বিঘ্ন হচ্ছে। এছাড়া তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে লোকজনকে। এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। উপজেলার ক্ষুদ্রউদ্যোক্তা আরপি বেকারির স্বত্ত্বাধিকারি আলমগীগ শেখ জানান বিদ্যুতের অতিরিক্ত লোড সেডিং ব্যবসা-বানিজ্যে প্রভাব পড়েছে। 

দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা নাহিদা ইয়াসমিনসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কারণে এইসএসসি পরীক্ষার্থীরাসহ অন্য শিক্ষার্থীরা রাতে ঠিকমতো পড়াশুনা করতে পারছে না। এছাড়া প্রচণ্ড গরমে রাতে ঘুমানের উপায় নেই। বিষয়টি এখন গুরুত্বের সাথে দেখা উচিৎ বলে তিনি দাবি করেন।  চিতলমারী পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম (অতিরিক্ত) প্রকৌশলী মো. শাহ্আলম জানান, উপজেলায় প্রায় ৪৩ হাজার গ্রাকের জন্য ১০ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। সেখানে দিনে-রাতে ২৪ ঘন্টায় ৫ থেকে ৬ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে ফলে চাহিদার তুলায় সরবরাহ না থাকায় ঘন ঘন লোড শেডিং হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য উর্ধ্বতনদের জানানো হয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে