ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার বনখিদ্দা চাপরাইল সড়কের মধ্যখানে রাস্তা ভেঙ্গে বড় গর্ত হয়ে চলাচলের অনুপয়োগি হয়ে পড়েছে।দীর্ঘদিন সড়কটির বেহাল দশায় ধূভোগের শিকার হচ্ছেন অন্তত ৮ গ্রামের জনসাধারন ।
কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়নের বনখিদ্দা নামক স্থানে সড়কের মাঝে ভেঙ্গে চলাচল বন্ধ হতে চলেছে। এছাড়া অসংখ্য স্থানে রাস্তার দু,পাশে ভেঙ্গে ধসে পড়েছে।সড়কের মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারনে চরম ঝুকির মধ্যে চলাচল করছে সাধারন মানুষ হ ছোট ইঞ্জিনচালিত গাড়ি, মটর সাইকেল, বাইসাইকেল, ভ্যান ও রিকসা চরম ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে।বড় ধরনের কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।দূর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা গর্তের মধ্যে গাছের ডাল ও খেজুর গাছের পাতা পুতে সতর্ক করেছেন।সড়কটি এমন বেহাল দশার কারনে এলাকার মানুষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, কালীগঞ্জ উপজেলার চাপরাইল বনখিদ্দা সড়ক দিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এছেখালি,নতুনবাজার,চাপরাইল,ভাটাডাঙ্গা,বনখিদ্দা,একতারপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ চলাচল করে থাকে।এ সড়কে চলাচলকারি একাধিক পরিবহনের চালকরা বলেছেন, বনখিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তাটি অর্ধেকের বেশি ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে চলাচল করা যাচ্ছে না।
সড়কের বেহাল দশার কারনে ৮ গ্রামের ১০ থেকে ১২ হাজার জনসাধারন চরম দূভোগের মধ্যে পড়েছে।আবার এই সড়কের পিচপাথর উঠে যাওয়ার কারনে বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত ও খানা থন্দ।ভাঙা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে রিকশা ও অটোরিকশার যাত্রীরা যেমন নাকাল হচ্ছেন।সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় বনখিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা ভেঙ্গে বড় ধরনের গর্তসৃষ্টি হয়েছে। র্দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে গ্রামবাসি দিয়েছে গাছের ডাল ও খেজুর গাছের পাতা।বিশেষ করে রাতে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা অনেকেই অন্ধগার হলে গর্তে পড়ে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।প্রায় তিন মাস এভাবে ভেঙে পড়ে রয়েছে কিন্তু মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহন করেনি।এলাকার জনাসাধারনের রাতে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয় ও অনেকে রাস্তায় হোচট খেয়ে পড়ে যায়।দোকানদার সাইফুল আলম ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, এলাকার কোন ভ্যান, রিকসা, ইজিবাইক এরাস্তা দিয়ে যতে চায় না।মুশফিজুর রহমান বলেন, রাস্তার মাঝে যে গর্ত তাতে করে বড় ধরনের র্দঘটনা ঘটতে পারে।কৃষকরা বলছেন তাদের ক্ষেতের নানা ধরনের সবজি যানবাহনে নিতে পারছে না ও ভ্যান, নছিমন, করিমন, আলমসাধু যেতে চাচ্ছে না। ফলে কৃষকরা কোন উপায় না পেয়ে তাদের সবজি মাথায় করে বিভিন্ন স্থানে বা প্রধান সড়কে নিয়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে এ রাস্তাটি গ্রামের হলেও প্রতিদিন বনখিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বনখিদ্দা মাদ্রাসা,নতুন বাজার মাধ্যমিকা বিদ্যালয়,চাপরাইল কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন চলাচলের একমাত্র ভরসা।এলাকার কৃষকরা তাদের জমির বিভিন্ন ফসল নিতে পারছে না ও অনেক কৃষক তাদের ক্ষেতের বিভিন্ন সবজি কোন যানবাহনে বাজারে নিতে পারছে না যানবাহনে।এমন বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে তাতে করে ক্রমান্বয়ে আর একটু ভেঙ্গে গেলে চলাচল সম্পুর্ন বন্ধ হয়ে যাবে।রাস্তাটি ক্রমান্বয়ে ধসে পড়ছে কিন্তু স্থানীয় দপ্তরের কোন প্রকার সংসকারের উদ্যেগ নেই। গ্রামবাসি বলছেন তারা অনেকবার ইউনিয়ন পরিষদে অবহিত করেছেন কিন্তু তাতে কোন প্রকার লাভ হচ্ছে না।আবার এসব বিষয়ে উপজেলা এলজিডি প্রকৌশরীরে সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন অচিরেই মেরামত করা হবে।