নীলফামারীর সৈয়দপুর বাজার ভরে গেছে অপরিপক্ক তরমুজে। এ অপরিপক্ক তরমুজ ট্রাকে ট্রাকে আসছে সৈয়দপুর রেললাইন ধারের পাশের আড়তে। আর ওই তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে আশ পাশের হাট বাজার থেকে আসা খুচরা ক্রেতারা।
তরমুজ আমদানি বাড়লেও দাম কিন্তু কমেনি তেমন একটা।
আড়তে এক মন তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১শ টাকা। সে হিসাবে এক কেজি তরমুজের দাম হয় ২৫ টাকা। আর ওই তরমুজ দশ হাত দুরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।দামের দিক দিয়ে।পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা বাজারে তরমুজের কেজি নেয়া হচ্ছে দ্বিগুন দামে।
দামের এ তারতম্য লক্ষ্য করা গেলেও দায়িত্বে থাকা কর্তাদের নেই কোন মাথা ব্যথা বা অভিযান।
এমন প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।
পাইকারি তরমুজ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান,এক মন তরমুজ বিক্রি করছি ১ হাজার ১শ টাকা দরে। তবে দুই সপ্তাহ পুর্বে ওই তরমুজ বিক্রি করেছি ২ হাজার টাকা মন দরে। এখন তরমুজের দাম কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
খুচরা ব্যবসায়ি কালু মিয়া,অহিদুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম জানান, ঠান্ডা হলে তরমুজ খেতে চান না মানুষ। কারণ তরমুজ খেলে স্বাভাবিক ঠান্ডা লাগে। তাছাড়া তরমুজ বেশির ভাগ ছোট ছোট শিশুরা খেয়ে থাকে। রমজান মাসে ইফতারে অনেকেই তরমুজ রাখেন।
সৈয়দপুর রেলওয়ে গেট বাজারে তরমুজ কিনতে আসা সুমন মিয়া বলেন, ছোট ছোট অপরিপক্ক তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। আবার একই তরমুজ কারো কারো কাছে নেয়া হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি।
তিনি বলেন,সৈয়দপুর বাজারে যথেষ্ঠ তরমুজ আমদানি রয়েছে। তবে আমদানি থাকার পরও।দাম তেমন একটা কমেনি। যারা অসহায় মানুষ তারা কেমন করে একটি তরমুজ ক্রয় করবেন। কারণ ছোট আকারের একটি তরমুজ নিম্নে ৫ কেজি হবে। ৫ কেজির দাম কম পক্ষে ৩শ টাকা। ৩শ টাকা দিয়ে সখের তরমুজ কেমন করে খাবে তারা। তাই অনেকে মিলে ক্রয় করছেন তরমুজ।
সৈয়দপুর রেল ঘুমটি নামক স্থানে আয়শা মরিয়ম নামে এক মহিলা ৫ কেজি ওজনের একটি তরমুজ ক্রয় করেন। তিনি জানান,বাসায় গিয়ে কয়েকজন মিলে এটি ভাগ করে নিবেন।