দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে পর্যাপ্ত ক্রেন-ফরক্লিপ না থাকার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে সবধরনের মালামাল লোড-আনলোড ও পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। এসময় বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করেন তারা।
বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের অভিযোগ, বন্দর কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনা ও বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও টেন্ডারের অজুহাতে ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া ও বন্দরের অব্যবস্থাপনা এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারকদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান তারা।
বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি বলেন, বন্দরের চেয়ারম্যান বারবার কথা দিয়ে কথা রাখে না। বন্দরে পর্যাপ্ত ক্রেন-ফরক্লিপ না থাকায় আমরা তিনদিন ধরে কোন পণ্য লোড দিতে পারছি না। বন্দর চেয়ারম্যান আমাদের কাজ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত বন্দরে ক্রেন-ফরক্লিপ না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোন কাজ করবো না। আমরা বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করছি।
ব্যবসায়ীরা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতিদ্রুত সমস্যার সমাধান এবং তাদের ন্যায্য দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এসময় বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিকেলে বন্দর অডিটরিয়ামে বন্দর পরিচালক শামীম হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন, বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি, বেনাপোল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।