ষড়যন্ত্রমূলক বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্থক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি নেতা হাফেজ মো: আজিজুল হক। এ সময় তিনি নিজেকে মিডিয়া টায়ালের শিকার দাবি করে দুঃসময়ের আন্দোলন সংগ্রামে দলের প্রতি ত্যাগ, মামলা, হামলা এবং নির্যাতনের মূল্যায়ন পূর্বক বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বিএনপির বহিস্কৃত সদস্য সচিব এবং জেলা উত্তর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ আজিজুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করে আসছি। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে অসংখ্য গায়েবি মামলার আসামি হয়ে হামলা, মামলায় নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কিন্তু সরকার গঠনের পর একটি কুচক্রী মহলের পরিকল্পিত ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে তেল কেলেঙ্কারীর ভিত্তীহীন অভিযোগে মিডিয়া টায়ালের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্যে দল থেকে বহিস্কার করানো হয়েছে। যা ইতিমধ্যে দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারন মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হাফেজ আজিজুল হক আরো বলেন, আমার মালিকানাধীন মেসার্স সোয়াদ ফিলিং স্টেশনে বিগত জ্বালানী সঙ্কটের সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দফায় দফায় অভিযান পরিচালনা করে কোন অনিয়ম বা মজুদ পায়নি। কিন্তু ৭ এপ্রিল জ্বালানী না থাকার কারণে পাম্প বন্ধ থাকা অবস্থায় দায়িত্বশীলদের অনুপস্থিতিতে প্রশাসন একটি অভিযান চালিয়ে হিসাবে গড়মিল দেখিয়ে মামলা করে। এ ঘটনায় একটি মহল মনগড়া ও ত্রটিপূর্ন রিপোর্টের ভিত্তিতে ষড়যন্ত্রমূলক খবর প্রকাশ করায়। কিন্তু কোথায় তেল মজুদের বিষয়ে কোন তথ্য কেউ উপস্থাপন করতে পারিনি। এতেই প্রমাণিত হয়, ঘটনাটিপরিকল্পিত এবং ষড়যন্ত্রমূলক। এই অবস্থায় বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে দলের প্রতি আমার ত্যাগ, হামলা, মামলা এবং নির্যাতনের মূল্যায়নে করে ষড়যন্ত্রমূলক বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য বর্তমান সরকারের মানবিক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্থক্ষেপ কামনা করছি।’ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, সদস্য মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, আ: মান্নান মন্ডল এবং বাবুল ফকির প্রমূখ।