নোয়াখালী হাতিয়ায় ঈদে ঘরমূখী মানুষের মেঘনা নদী পারা পারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘাটে কাজ করছে বিএনপির প্রতিনিধি দল। আইন শৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরা তাতে সহযোগিতা করছেন। শনিবার বিকালে ও রোববার সকালে উপজেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল উপজেলার নলচিরা ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে এই নির্দেশনা দেন।
ঘাটে উপস্থিত দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম বলেন, হাতিয়া একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিদিন ২৫-৩০ হাজার মানুষ নলচিরা ঘাট হয়ে হাতিয়া প্রবেশ করছে। এতে এই ঘাটে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এখানে কাউকে অযথা তদারকি করতে দেওয়া হবে না। যেন কোন যাত্রী এই ঘাটে হয়রানি না হয় তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ইলিয়াস হোসেন ইসমাইল, পৌরসভা যুবদলের আহবায়ক মোমিন উল্যা রাসেল, উপজেলা স্বেচ্চাসেবক দলের সদস্য সচিব তালুকদার সুমন ও ছাত্রদলের সদস্য সচিব রিয়াজ মাহমুদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংঘঠনের অনেক নেতা কর্মী।
বিগত সরকারের সময় ঘাট কেন্দ্রীক বিভিন্ন সেন্ডিগেট ছিল। যাত্রীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হত। বিগত সরকারের এই ধারা আমরা হতে দেব না। ঘাটে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা যাত্রীদের নিরাপত্তায় আইন শৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি কাজ করবে। এটা ঈদে বাড়ী ফেরা যাত্রীদের ক্ষেত্রে ও একই ভাবে ঈদের পরে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌছানোর সময়ও আমরা নিশ্চিত করবো। এছাড়া কোথাও দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কাউকে কিছু করতে দেওয়া হবে না।
মূলভ’খন্ডের সাথে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌপথ। আর নৌপথে সবচেয়ে বেশী মানুষ আসা যাওয়া করে নলচিরা ঘাট হয়ে। দ্বীপের উত্তর পাশে এই ঘাট হয়ে প্রতিদিন ২৫-৩০ হাজার মানুষ আসা যাওয়া করে। বিশেষ করে চট্রগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা বিলাশ বহুল জাহাজগুলো এই ঘাটে ভীড়ে। আবার ঢাকা থেকে যেসব যাত্রী সড়ক পথে আসে তারা চেয়ারম্যান ঘাট হয়ে নলচিরা দিয়ে হাতিয়ায় আসে। এতে দ্বীপের নৌপথের প্রধান বন্দর বলাযায় নলচিরা ঘাটকে। ইতিমধ্যে ঈদ উপলক্ষে এই ঘাটের কর্মব্যাস্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুন।